প্রকাশ : ... | ... | ...

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে আটক প্রায় ৫০০, বন্ধ ৪৬ মেট্রো স্টেশন


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানী নয়াদিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিভিন্ন এলাকা থেকে কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা প্রায় ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরের ৪৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার পাশাপাশি আটক ব্যক্তিদের রাখার জন্য একাধিক স্টেডিয়াম ও কমিউনিটি সেন্টার প্রস্তুত করা হয়েছে। এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৫০ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে তাদের সতর্কতামূলকভাবে আটক করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণ ও আটক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন দিল্লি জেলাকে ২০টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য পৃথক আটককেন্দ্রের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক মানুষকে রাখার প্রয়োজনে শহরের কয়েকটি স্টেডিয়ামকে অস্থায়ী আটককেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ছয়টি স্থানকে আটককেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো ছত্রশাল স্টেডিয়াম, রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম, যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্স, সুরজমল স্টেডিয়াম, দৌলতপুর কমিউনিটি সেন্টার এবং পান্ড্রাওয়াল কমিউনিটি সেন্টার। যন্তর মন্তর ও সংসদ মার্গ এলাকায় বিক্ষোভকারীদের জমায়েত ঠেকাতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড স্থাপন করেছে পুলিশ। এর অংশ হিসেবে ৪৬টি মেট্রো স্টেশন পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। গত ২০ জুলাইয়ের বিক্ষোভের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবার অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের আগের আন্দোলনের তুলনায় এবারের পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশকে লাঠি ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের বাগ্‌বিতণ্ডায় না জড়ানোর জন্য পুলিশ সদস্যদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভিডিও ধারণের মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।