প্রকাশ : ... | ... | ...

ক্রীড়া ভাতা নিয়েও ‘খেপ’ খেলায় জাতীয় দলের ফুটবলাররা, ক্ষুব্ধ আমিনুল হক


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় দলের হয়ে খেলার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় টুর্নামেন্টে ‘খেপ’ খেলায় অংশ নেওয়া ফুটবলারদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে খেলোয়াড়দের সতর্ক করা হবে, এরপর প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। জাতীয় দলের ফুটবলাররা সরকারের কাছ থেকে নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পান এবং জাতীয় দলের জার্সিতে প্রতিনিধিত্বের সুযোগও রয়েছে। এর পরও শেখ মোরসালিন, রাকিব হোসেনসহ কয়েকজন ফুটবলারের বিভিন্ন এলাকায় ‘খেপ’ খেলায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সমালোচনা শুরু হয়েছে। এক অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে আমিনুল হক জানান, তিনি টাঙ্গাইল ও ঝিনাইদহে দুটি টুর্নামেন্টে গিয়েছিলেন। সেখানে বর্তমান জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের অংশ নিতে দেখেছেন তিনি। আমিনুল বলেন, ‘আমি দুইটা টুর্নামেন্টে গিয়েছিলাম, একটি হচ্ছে টাঙ্গাইলে আরেকটি হচ্ছে ঝিনাইদহে। তো দুই জায়গাতেই দেখেছি যে আমাদের বর্তমান ন্যাশনাল টিমের কারেন্ট প্লেয়াররা সেখানে অংশগ্রহণ করছে।’ জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সরকারি ক্রীড়া ভাতা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ অবস্থায় স্থানীয় পর্যায়ের ‘খেপ’ খেলায় অংশ নেওয়া কতটা সমীচীন। তার মতে, এর মধ্য দিয়ে দেশের প্রতি খেলোয়াড়দের অঙ্গীকার এবং নিজেদের প্রতি দায়বদ্ধতার ঘাটতিও প্রকাশ পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার প্রশ্নটা হচ্ছে সেই প্লেয়ারদের কাছে এবং আমি বাফুফের কাছেও প্রশ্নটা রাখবো, যে যেখানে আমরা খেলোয়াড়দেরকে পেশাগত স্বীকৃতি বাবদ আমরা ক্রীড়া ভাতা প্রদান করছি, সরকার তাদেরকে মাসিক ভাতা দিচ্ছে, তো সেই ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের খেপ খেলতে যাওয়াটা কতটুকু সমীচীন হয়েছে এবং দেশের প্রতি যে একটু আগে বলছিলাম যে কমিটমেন্টের অভাব, যে তার নিজের প্রতি যে কমিটমেন্টের অভাব সেটার কিন্তু বহিঃপ্রকাশ ইতোমধ্যে পেয়েছি।’ বিষয়টি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতির সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনাও জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। ব্যস্ততার কারণে এখনো সভাপতির সঙ্গে কথা বলতে না পারলেও দ্রুতই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানান তিনি। আমিনুল হক বলেন, ‘আমি ব্যস্ততার কারণে এখন পর্যন্ত আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সাথে কথা বলতে পারিনি, তবে আমি দ্রুতই তার সাথে হয়তোবা দুই একদিনের ভেতরে কথা বলবো যে যেই খেলোয়াড়রা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে খেপ খেলেছে, সেই বিষয়টি নজরে এনে তাদেরকে সতর্ক করা—আমরা প্রথম অবস্থায় সতর্ক করতে চাই, তারপর আমরা হয়তোবা ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা করবো।’ জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের স্থানীয় ‘খেপ’ খেলায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি তাই এখন বাফুফে ও সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের জন্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।