| ছবি: সংগৃহীত
২২৮ রানের বড় লিডের পর দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার চার উইকেট তুলে নিয়ে টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬১ রান। ক্যামেরন গ্রিন ৪৩ ও অ্যালেক্স ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত থেকে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করবেন। এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামে ৪২৬ রানে। অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে এই সংগ্রহ এনে দেয় বাংলাদেশকে বড় লিড। তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের অর্ধশতকে শক্ত অবস্থান তৈরি করে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন চার উইকেট হাতে নিয়ে ব্যাটিং শুরু করা বাংলাদেশ লাঞ্চের পরপরই অলআউট হয়। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জশ হ্যাজলউড নেন চার উইকেট। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তাঁর মোট শিকার ৬ উইকেট। একই দিনে টেস্ট ক্রিকেটে ৩০০ উইকেটের মাইলফলকও স্পর্শ করেন এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার। দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৮ রানের ঘাটতি নিয়ে নেমে অবশ্য শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। হাসান মাহমুদের বোলিংয়ে ৩৭ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। জেক ওয়েদারাল্ড রানের খাতা খোলার আগেই বোল্ড হন। পরে ট্রাভিস হেডকেও বোল্ড করে দ্রুত দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন হাসান। এরপর লাবুশেন ও স্মিথের ৩৬ রানের জুটি অস্ট্রেলিয়াকে সাময়িক স্বস্তি দেয়। তবে চা-বিরতির পর তাইজুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মারনাস লাবুশেন। ৩১ রান করেন তিনি। স্মিথ এরপর ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে আরও একবার ইনিংস গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৪৪ রানে আউট হন স্মিথ। ৮৮ বলের ইনিংসে চারটি বাউন্ডারি ছিল তাঁর। স্মিথের বিদায়ের পর আর কোনো উইকেট পড়তে দেননি গ্রিন ও ক্যারি। দিনের শেষ ভাগে তাঁদের ৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি অস্ট্রেলিয়াকে আরও বিপর্যয় থেকে বাঁচায়। গ্রিন ৪৩ এবং ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত। চতুর্থ দিনের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য হবে এই জুটিকে যতটা সম্ভব দীর্ঘ করা। অন্যদিকে বাংলাদেশের বোলাররা দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করতে চাইবে।