প্রকাশ : ... | ... | ...

হাসান-খালেদের নৈপুণ্যে দুই বছর পর কাউন্টির শীর্ষ বিভাগে কেন্ট


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দুই মৌসুম পর ইংল্যান্ডের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ানে ফিরেছে কেন্ট। মৌসুমের শেষ দিকে দলের হয়ে খেলা এই দুই বোলার নিয়েছেন মোট ৪২ উইকেট। তাঁদের পারফরম্যান্সে ডিভিশন টু থেকে শীর্ষ বিভাগে ফেরার পথ সহজ হয়েছে দলটির। গত মৌসুমে ডিভিশন টুতে সবার নিচে থেকে শেষ করেছিল কেন্ট। এবার ১৪ ম্যাচে ১৯৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে তারা। ১৯১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা নর্থ্যাম্পটনশায়ারের হারের পরই কেন্টের প্রমোশন নিশ্চিত হয়। ডিভিশন টুতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডারহাম। কেন্টের প্রমোশন নিশ্চিত হওয়ার পরও শেষ ম্যাচে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে দলটি। গ্লস্টারশায়ারকে ৮ উইকেটে হারিয়ে মৌসুম শেষ করে তারা। এই ম্যাচেও বল হাতে অবদান রাখেন খালেদ আহমেদ। কেন্টের হয়ে প্রথমে খেলতে আসেন হাসান মাহমুদ। চার ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে দলের বোলিং আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশের এই পেসার। কাউন্টি অভিষেকেই ৯ উইকেট নিয়ে দলকে জয় এনে দেন তিনি। তাঁর খেলা চার ম্যাচের তিনটিতেই জিতেছে কেন্ট। ডিভিশন টুতে অন্তত ২০ উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে হাসানের বোলিং গড় ছিল ১৫.৭৬। ১০টির বেশি উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল সর্বোচ্চ। প্রতি ২৯.২৬ বল পরপর একটি করে উইকেট পেয়েছেন তিনি। তবে মৌসুমের শেষ দুই রাউন্ডে হাসানকে পায়নি কেন্ট। এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি ও সামনে বাংলাদেশের ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচির কথা বিবেচনা করে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শুরুতে তাঁকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হলেও পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বোর্ড। হাসানের অনুপস্থিতিতে কেন্টের হয়ে যোগ দেন খালেদ আহমেদ। তিন ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়ে তিনিও দলের প্রমোশনে অবদান রাখেন। ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের ৭ উইকেটের জয়ে এক ম্যাচেই ৮ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। মৌসুমের শেষ ম্যাচেও নিজের কার্যকারিতা দেখিয়েছেন খালেদ। তাঁর বোলিংয়ে গ্লস্টারশায়ারকে হারিয়ে ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় কেন্ট। এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিভাগে রানার্সআপ হয়ে শীর্ষ বিভাগে ফেরার অভিযান শেষ করে দলটি। গত মৌসুমে তলানিতে থাকা কেন্টের এবারের প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের দুই পেসারের অবদান তাই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁদের সম্মিলিত ৪২ উইকেট দলের প্রমোশন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।