| ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে যোগদানসহ যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রথম দিন মঙ্গলবার ব্যস্ত সময় পার করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া তাঁর এই ব্যস্ততা অব্যাহত ছিল রাত আটটা পর্যন্ত। পূর্বনির্ধারিত ১২টি কর্মসূচির মধ্যে সময় স্বল্পতার কারণে দুটি বাদে বাকি ১০টি কর্মসূচিতে তিনি সশরীরে অংশ নেন। এসব কর্মসূচিকে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট ভাগে ভাগ করে তথ্য তুলে ধরেন তিনি। মাহ্দী আমিন বলেন, প্রথম দিনটির সূচনা হয়েছিল ব্যক্তিগত পর্যায়ের কিছু আন্তর্জাতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ছিলেন। দিনের শুরুতে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান জাতিসংঘের মহাসচিবের আমন্ত্রণে আয়োজিত একটি বিশেষ প্রাতরাশ কর্মসূচিতে যোগ দেন। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রথম দিনের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে আয়োজিত এক নৈশভোজে সস্ত্রীক অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন জাতিসংঘের বহুপাক্ষিক ফোরাম ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নানা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেন বলে উল্লেখ করেন মাহ্দী আমিন। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই অংশগ্রহণ এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। তাঁর সঙ্গে জুবাইদা রহমান এবং একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল। এটিকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন জানান, জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে আগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিশ্ব ইতিহাসে এক পরিবারের তিন সদস্যের এভাবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে একটি দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।