প্রকাশ : ... | ... | ...

‘গণভোটের রায় কার্যকর হলে বিপুল ভোটে জিততেন অলি আহমদ’


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগৃহীত

গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে সংসদ সদস্যদের ভোটে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে অলি আহমদের পক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সুযোগ পেতেন। সে ক্ষেত্রে কর্নেল অলি আহমদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন। বিএনপিকে নিয়েও সমালোচনা করেন হামিদুর রহমান আযাদ। তাঁর দাবি, গণভোটের রায় কার্যকর করা হলে বিএনপিও বিতর্কমুক্ত থাকতে পারত। তবে বিএনপি কলাকৌশলের মাধ্যমে সংসদে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের অংশগ্রহণকে দেশের গণতন্ত্র চর্চায় নতুন ধারা তৈরির উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, জয়-পরাজয় ১১ দলের কাছে মুখ্য নয়; বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতাই মূল বিষয়। অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে হামিদুর রহমান আযাদ জানান, রাষ্ট্রপতি পদে তাঁর পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য-উপাত্ত সুনিপুণভাবে দাখিল করা হয়েছে। এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ব্যতিক্রমী বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, অতীতে সাধারণত সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকেই রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দিতে দেখা গেছে। এবার ১১ দল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।