ম্যাডামের মেসেজে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট, সংবাদ প্রকাশের পর সনদ পেলেন কুবি শিক্ষার্থী

শিক্ষকের মেসেজে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে অভিযোগ ওঠার পর প্রায় দেড় মাস আটকে ছিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমানের বিবিএ ও এমবিএর সনদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও সনদ সংগ্রহ করতে পারেননি তিনি। তবে জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সনদ হাতে পেয়েছেন এই শিক্ষার্থী। মুজিবুর রহমান মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিএর শিক্ষার্থী। ইন্টার্নশিপের ফলাফল নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে ধন্যবাদ জানিয়ে বার্তা পাঠানোর পর শিক্ষকের পাল্টা বার্তায় ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেন তিনি। পরে ওই প্রতিক্রিয়াকে শিক্ষকের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ হিসেবে উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয়। গত ২৫ আগস্ট মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেহের নিগারের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। অভিযোগকারী শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক মাশিয়াত যাহিন। এরপর সনদ উত্তোলন করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন মুজিবুর। গত ৩১ আগস্ট ও ৩ সেপ্টেম্বর সনদ সংগ্রহের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলেও বিভাগীয় প্রধান তার আবেদনে স্বাক্ষর করেননি বলে জানান মুজিবুর। রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় সনদ উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলে জানানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত আবেদন করেন মুজিবুর। এ ঘটনায় গত ৮ সেপ্টেম্বর মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তাঁর লিখিত জবাব যাচাই করতে ১৪ সেপ্টেম্বর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ড. মো. এমদাদুল হককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও নির্ধারিত সময়ে তা জমা পড়েনি। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম মুজিবুরকে জানান, সনদ উত্তোলনে কোনো সমস্যা নেই। একই দিন তিনি সনদ সংগ্রহের বিষয়ে রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চান। এরপর ৪ অক্টোবর বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেহের নিগার ফোন করে মুজিবুরকে জানান, সনদ উত্তোলনের জন্য বিভাগীয় ক্লিয়ারেন্স পেতে কোনো বাধা নেই। মুজিবুর রহমান বলেন, গত ১ অক্টোবর সংবাদ প্রকাশের পর উপাচার্য স্যার সনদ উত্তোলনে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান। পরে রেজিস্ট্রার স্যারকে বার্তা দিলে ৪ অক্টোবর বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেহের নিগার ম্যাম ফোন করে ক্লিয়ারেন্স পেতে বাধা নেই বলে জানান। অবশেষে আজ সনদ সংগ্রহ করেছি। এ সময়ে পাশে থাকা সাংবাদিক ও সিনিয়র ভাইদের ধন্যবাদ জানাই। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. নুরুল করিম চৌধুরী বলেন, মুজিবুর রহমান সনদ সংগ্রহ করে থাকলে তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে মনে করেন। কোনো ব্যক্তিগত বিষয়কে কেন্দ্র...

$post['title']

ওসমান হাদির নামে নামকরণের পর আবারও ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ হচ্ছে ঢাবির হল

$post['title']

ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে আগুন: ৮২ ও ৪৫ শতাংশ পোড়া শরীর নিয়ে হার মানল আতিয়া ও জিদনী

$post['title']

দায়িত্বশীলদের ওমরা পুরস্কার প্রদান আল-হেরা গ্লোবাল এডুকেশন ফাউন্ডেশনের

$post['title']

রাজধানীর আইডিয়াল ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ

$post['title']

কওমি মাদরাসার ছয় শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর, সনদে মিলবে চাকরির সুযোগ