সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি, হামলা হলে ‘সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া’

আলহেরা ২৪ অনলাইন
| প্রিন্ট সংস্করণ
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে নিজেদের নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। শুক্রবার স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে তিন দেশ সমষ্টিগত নিরাপত্তা জোরদার এবং অঞ্চল ও এর বাইরে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।

সৌদি আরবের সরকারি বার্তাসংস্থা ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে চুক্তির বিষয়টি জানানো হয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তিন দেশের যেকোনো একটি সদস্যের ওপর হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে ‘সমষ্টিগত প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা’ হবে।

চুক্তিটি এমন এক সময়ে হলো, যখন হাউছিদের হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে আশপাশের কয়েকটি দেশও পরিস্থিতির মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগর দিয়ে নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনে তেহরানের মিত্র হাউছিরাও আরও সক্রিয় হয়েছে। তারা সৌদি আরবেও হামলা চালিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রিয়াদ নিজেদের নিরাপত্তা সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার দিকে এগিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ক্রমেই কম নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে নতুন চুক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে সামরিক উদ্যোগ হিসেবে দেখাতে চায় না এর অংশীদাররা। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট দফতরের যোগাযোগ পরিচালক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, চুক্তিটি ‘কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়’।

তুরস্ক সরকারের অপতথ্যবিরোধী সংস্থাও এক্সে পৃথক পোস্টে জানায়, ‘ন্যাটোর মূল অঙ্গীকারসহ তুরস্কের বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জোটগুলোর প্রতি দায়িত্বের সাথে এই চুক্তি সাংঘর্ষিক নয়।’

সৌদি আরবও চুক্তিটির উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি এক্সে বলেন, ‘এটি কোনো সামরিক জোট বা সাম্প্রদায়িক বলয় গঠনের উদ্যোগ নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি কোনো পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা অস্ত্র প্রতিযোগিতার সাথে যুক্ত নয়; বরং টেকসই সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।’

রায়েদ ক্রিমলি আরও বলেন, ‘এই চুক্তি এই অঞ্চলের কোনো দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়।’

গ্যাস সংকটে শিল্পকারখানা ক্ষতিগ্রস্ত, সরবরাহ বাড়াতে সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে অন্তত ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হতো না’: আসিফ নজরুল

গ্রিন-ক্যারির প্রতিরোধে দিন শেষ, জয়ের পথে বাংলাদেশ?

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন রিজভীসহ চার নেতা

৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে—এর নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ও শিঙাড়া বিলির অভিযোগে তিনজনকে মারধর

দুই এলএনজি টার্মিনাল চালু, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ল

অক্টোবরে একসঙ্গে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর আশা প্রধানমন্ত্রীর

দুই-এক দিনের মধ্যেই ছাত্রদলের নতুন কমিটি, দায়িত্ব ছাড়ার বার্তা রাকিবের

১০

হাসানের জোড়া আঘাতের পর তাইজুলের শিকার লাবুশেন

১১

হরমুজে হামলার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

১২

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প

১৩

১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা র‌্যাবের

১৪

‘গণভোটের রায় কার্যকর হলে বিপুল ভোটে জিততেন অলি আহমদ’

১৫

সালাহউদ্দিনকে স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্রের দায়িত্বে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি

ধর্ষণ মামলায় চট্টগ্রাম এনসিপির নেতা আফতাব মজুমদার জয় গ্রেপ্তার

কাসেমিরোকে দলে ভেড়ানোর পর তদন্তে ইন্টার মায়ামি

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান

কৃষক কার্ডে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন প্রান্তিক কৃষকরা

প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলন থেকে শিক্ষামন্ত্রী, শেষ পর্যন্ত একই ইস্যুতেই পদত্যাগ ধর্মেন্দ্র প্রধানের

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

একরামুল হক হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে

ইরানের ১৫০ টনের কার্গো বার্জে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

মতিঝিলে উদ্ধার শক্তিশালী পাইপ বোমা, উল্টোরথ যাত্রা ছিল সম্ভাব্য লক্ষ্য

১০

দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর পরিকল্পনা

১১

ফুলহামের মূল দলে সুযোগ পেয়েই নজর কাড়লেন ফারহান, বাড়ছে বাংলাদেশের স্বপ্ন

১২

রাজধানীর বাসব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা, কমছে রুট ও অপারেটর

১৩

রায়পুরে জমি ও মন্দির নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৮

১৪

সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আইন অনুযায়ী সব সুবিধা পাবেন সাহাবুদ্দিন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, উঠলেন গুলশানের বাসভবনে

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত